মার্কিন–ইসরাইল ও ইরানের সংঘাতে এবার ইয়েমেনের হুথি যোদ্ধারাও যুক্ত হয়েছে, যা নতুন করে বৈশ্বিক নৌপথ নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে হরমুজ প্রণালীর পাশাপাশি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথও হুমকির মুখে পড়তে পারে।
দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের অধ্যাপক মোহামাদ এলমাসরি আল জাজিরা-কে জানান, এখন সবচেয়ে বড় শঙ্কা তৈরি হয়েছে সুয়েজ খাল নিয়ে। তিনি বলেন, গত আড়াই বছরে হুথিরা তাদের শক্তিমত্তার প্রমাণ দিয়েছে। তারা যদি বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে লোহিত সাগরের প্রবেশপথ এবং শেষ পর্যন্ত সুয়েজ খালের কার্যক্রমও ব্যাহত হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালী ইতোমধ্যেই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এর সঙ্গে বাব আল-মান্দেবও বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই দুই নৌপথ একসঙ্গে অচল হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হবে। এতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।
অন্যদিকে, হুথিদের যুদ্ধে অংশগ্রহণ ইসরাইলের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপরও বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে। এলমাসরি বলেন, ইসরাইলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী হলেও তা সম্পূর্ণ অপ্রতিরোধ্য নয়। সাম্প্রতিক সময়ে হিজবুল্লাহ ও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কিছু ক্ষেত্রে প্রতিরক্ষা ভেদ করতে সক্ষম হয়েছে। এখন যদি ইয়েমেন থেকেও হামলা বাড়ে, তাহলে ইসরাইলের জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে।
তবে রাজনৈতিক দিক থেকে এলমাসরি একটি ভিন্ন দিকও তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, ‘বিপরীতভাবে, ইসরাইল হয়তো এটাকে স্বাগত জানাবে। কারণ তারা যুদ্ধ বিস্তার করতে চায়, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করতে চায় এবং নিশ্চিত করতে চায় যে ডোনাল্ড ট্রাম্প অদূর ভবিষ্যতে যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে না যান। কারণ ইসরাইলের লক্ষ্য এখনো পূরণ হয়নি।’
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);