বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে ছড়িয়ে পড়া নারীবিদ্বেষী পোস্টের ঘটনায় চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে বঙ্গভবনের সহকারী প্রোগ্রামার মোহাম্মদ ছরওয়ার আলমকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
মঙ্গলবার দিবাগত রাতে রাজধানীর রাজারবাগ এলাকা থেকে তাকে আটক করে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। তবে এ ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো নিয়ে ডিবির ভেতরে মতভেদ সৃষ্টি হয়েছে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
সূত্র মতে, বুধবার দিনভর ডিবি কার্যালয়ে সিনিয়র কর্মকর্তাদের মধ্যে দফায় দফায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসব বৈঠকে তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মোহাম্মদ ছরওয়ার আলমকে গ্রেপ্তারের মতো সুনির্দিষ্ট ও পর্যাপ্ত প্রমাণ এখনো তাদের হাতে নেই। তা সত্ত্বেও ডিবি প্রধান গ্রেপ্তার দেখাতে চাপ দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে ছরওয়ার আলমের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে সুস্পষ্ট তথ্য না থাকায় অধস্তন কর্মকর্তারা গ্রেপ্তার দেখাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এ নিয়ে একজন যুগ্ম কমিশনারের সঙ্গে ডিবি প্রধানের বাগবিতণ্ডা হয় বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডিবির ভেতরে এক ধরনের অস্বস্তি ও বিভক্তির সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন কর্মকর্তাদের একটি অংশ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিবির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, ৫ আগস্টের আগে পুলিশ যেসব ভুল-ত্রুটিতে জড়িয়েছিল, সে ধরনের কর্মকাণ্ডে বর্তমান দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা আর জড়াতে চান না। তিনি বলেন, কোনো সংস্থা থেকে তথ্য পাওয়া গেলে তা যাচাই-বাছাই করা তদন্তকারী সংস্থার দায়িত্ব। সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ না থাকলে অন্য কোনো সংস্থার নির্দেশে গ্রেপ্তার করা পেশাদারিত্বের বাইরে পড়ে। এ কারণেই গ্রেপ্তারে অপারগতা প্রকাশ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ডিবির ভেতরে কোনো বাগবিতণ্ডার বিষয়টি সত্য নয়। তিনি জানান, হাতিরঝিল থানায় হওয়া মামলায় মোহাম্মদ ছরওয়ার আলমকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার ডা. শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত একটি নারীবিদ্বেষী পোস্টকে ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। বিষয়টি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনেও ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দেয়।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তাদের আমিরের এক্স অ্যাকাউন্টটি হ্যাক করে ওই অনাকাঙ্ক্ষিত পোস্ট দেওয়া হয়েছে এবং এর মাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে।
এ ঘটনায় তদন্তের দাবিতে রোববার রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. সিরাজুল ইসলাম। ওই জিডির তদন্ত করছে ডিবি।
সূত্র-যুগান্তর।
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);