ঢাকার সাভারের পৌর কমিউনিটি সেন্টারে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ও লাশ উদ্ধারের ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক বিরাজমান। ঠিক তখনই সাভার মডেল থানা পুলিশের নিখুঁত অভিযানে গ্রেপ্তার হলো নীরব ঘাতক সম্রাট ওরফে ‘সাইকো সম্রাট’।
রবিবার দুপুর ২টায় কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলা থেকে নতুন করে জোড়া লাশ উদ্ধারের পরপরই পুলিশ আবার নড়েচড়ে বসে। এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডগুলোর পেছনের মূল হোতা ‘সাইকো সম্রাট’কে বিকেল সাড়ে ৩টায় সাভার মডেল থানা পুলিশ আটক করে।
পুলিশ জানায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও কমিউনিটি সেন্টারের আশপাশের একটি সিসিটিভির ফুটেজে সন্দেহজনকভাবে এক ব্যক্তিকে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। তার চলাফেরা, সময় ও অবস্থান মিলিয়ে তদন্তকারীদের সন্দেহ গিয়ে পড়ে ওই ভবঘুরে ব্যক্তির দিকেই। এরপরই তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তি মশিউর রহমান খান সম্রাট ওরফে ‘সাইকো সম্রাট’।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে একই জায়গায় রবিবারের দুটি হত্যাকাণ্ড, পূর্বের পৃথক তিনটিসহ মোট পাঁচটি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে সে। বর্তমানে তাকে থানায় রেখে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সোমবার তাকে আদালতে নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ সূত্র।
পুলিশ আরো জানায়, “লাশ উদ্ধারের পরপরই আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করি। ফুটেজ বিশ্লেষণ করেই সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করা হয় এবং দুই ঘণ্টার মধ্যেই তাকে আটক করা সম্ভব হয়।” এলাকাবাসী জানায়, সম্রাটকে সবাই ভবঘুরে হিসেবেই চিনত। কখনো রাস্তায়, কখনো কমিউনিটি সেন্টারের আশপাশে ঘোরাঘুরি করত। তার মধ্যে যে এমন ভয়ংকর নৃশংসতা লুকিয়ে আছে, তা কেউ কল্পনাও করেনি।
লাশ উদ্ধারের ঘটনায় যখন সাভারজুড়ে আতঙ্ক আর উৎকণ্ঠা চরমে, তখন পুলিশের দ্রুত ও সাহসী অভিযানে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন এলাকাবাসী। তারা দাবি জানিয়েছেন—এই নৃশংস খুনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
এবিষয়ে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরমান আলী বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও নৃশংস। লাশ উদ্ধারের সঙ্গে সঙ্গেই আমরা সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ শুরু করি। ফুটেজ ও পারিপার্শ্বিক তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করে দ্রুত আটক করা সম্ভব হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে একাধিক হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। আমরা বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করছি এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনা হবে।”
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);