শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ ন্যায়বিচারেই শান্তির সংস্কৃতি: আইরিন খান বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব ৮ জানুয়ারি দুষ্টের দমনে কঠোর, শিষ্টের পালনে মানবিক হতে হবে: রাষ্ট্রপতি উল্টোপথে গাড়ি চালানোয় মন্ত্রীর গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দিচ্ছে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক হামে আরও ৩ মৃত্যু, নতুন রোগী ১,৪৪৪ বেনজীরের অবস্থান জানতে ইন্টারপোলকে পুলিশের চিঠি হরমুজে বাংলাদেশের জাহাজে বাধা নেই: ইরান পুলিশের ৬ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বদলি ভোটার স্থানান্তরের আবেদন ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেপুটি স্পীকারের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে দেশে বর্তমান জ্বালানি সংকট উত্তরণে ‘পাঁচ দফা কর্ম পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার ৫৫ বছরের রেকর্ড বিদ্যুৎ ঘাটতি, দায় ‘ভুল নীতি’ ও বৈশ্বিক সংকট এক-এগারো সরকারের সময়ে বর্তমান তারেক রহমানকে অমানসিক নির্যাতন করা হয়েছিল অসুস্থ জ্বালানিমন্ত্রী টুকুকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইপিইউ সেক্রেটারি আন্দা ফিলিপের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ময়মনসিংহে টাইফয়েড টিকা কর্মসূচির কর্মীদের মজুরি কম দেওয়ার অভিযোগ

সীমু দা
মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:০৪ পূর্বাহ্ন

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের অধীনে টাইফয়েড জ্বরের টিকা কার্যক্রমে অংশ নেওয়া স্বেচ্ছাসেবী কর্মীদের প্রাপ্য মজুরি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক ১৮ দিন টাইফয়েড টিকার ইপিআই কার্যক্রমে ৩৩টি ওয়ার্ডে দায়িত্ব পালন করেন অন্তত ৩০০ কর্মী। প্রত্যেক কর্মীকে প্রতিদিন ৫২০ টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও কাজ শেষে তাদের ২০০ টাকা দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া করোনাকালীন ইপিআইয়ে কোভিড টিকা দান কর্মসূচিতে দায়িত্ব পালন করে এখনও সিটি করপারেশন থেকে তাদের প্রাপ্য মজুরি পাননি অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবীদের।

স্বেচ্ছাসেবী কর্মী উম্মে সাদিয়া বলেন, ‘টাইফয়েড টিকাদান কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন করার জন্য আমাদের ডেকে আনা হয়েছে। তখন বলা হয়েছিল প্রতিদিন মজুরি হিসেবে প্রত্যেক কর্মীকে ৫২০ টাকা দেওয়া হবে। আমরা প্রত্যেকে ১৮ দিন টাইফয়েডের টিকাদান কাজ করেছি। এখন সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এইচ.কে দেবনাথ আমাদের ২০০ টাকা মজুরি দিয়েছেন। এখন প্রত্যেককে প্রতিদিনের ৩২০ টাকা করে কম দেওয়া হচ্ছে। এটা আমাদের সঙ্গে প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই নয়।’

সাদিয়া আরও বলেন, ‘করোনাকালীন আমরা অনেক কর্মী টিকাদান কাজে অংশ নিয়েছিলাম। কিন্তু সেই সময়েও প্রাপ্য মজুরি থেকে এইচ কে দেবনাথ আমাদের বঞ্চিত করেছেন। এখনও করোনাকালীন টিকার কাজে অংশ নেওয়া ৪৩ হাজার টাকা বকেয়া রয়েছে।

আরেক স্বেচ্ছাসেবী কর্মী শুভ্রা বলেন, ‘আমাদের বলা হয়েছে এক ধরনের কথা, এখন কম টাকা দেওয়া হচ্ছে। আমরা ১৮ দিন অনেক কষ্ট করে টিকাদান কার্যক্রম শেষ করেছি। কিন্তু সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আমাদের মজুরি থেকে বঞ্চিত করছেন। আমরা তদন্ত পূর্বক এর বিচার দাবি করছি।’ 

একই অভিযোগ করেছেন অন্তরা ইসলাম। তিনি বলেন, ‘করোনাকালীন ঠিকাদান কাজ করেছিলাম। সেই সময়ের ১৫ হাজার টাকা মজুরি এখনও পাইনি। আমাদের সবসময় প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা প্রাপ্য মজুরি থেকে বঞ্চিত করে আসছেন। আমরা আমাদের প্রাপ্য মজুরি চাই।’

এ ব্যাপারে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এইচ কে দেবনাথ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক টাইফয়েড টিকাদান কাজে নিয়োজিত কর্মীরা ২০০ টাকা করে মজুরি পাবে। এর বেশি দেওয়ার কথা আমি কখনই বলিনি। করোনাকালীন টিকার দেওয়ার সময় অনেকদিন পার হয়ে গেছে। প্রত্যেক কর্মীকেই তাদের প্রাপ্য বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারও সঙ্গে প্রতারণা করিনি আমি।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Theme Created By