উপমহাদেশের বৃহত্তম ঈদের জামাতের জন্য প্রস্তুত কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান।
এবার ১৯৯তম আসরে ঈদুল ফিতরের জামাত শুরু হবে ঈদের দিন সকাল ১০টায়। এতে ইমামতি করবেন, কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের বড় বাজার মসজিদের খতিব মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। বিকল্প ইমাম হিসেবে থাকবেন এ. ইউ. কামিল মাদ্রাসার প্রভাষক মাওলানা জুবায়ের ইবনে আব্দুল হাই।
ফ্যাসিবাদী জামানায় কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে মুতাওয়াল্লি নিযুক্ত স্থায়ী ইমামকে বাদ দিয়ে ইমাম হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদকে। বিতর্কিত এই ইমামকে নিয়ে স্থানীয়দের ক্ষোভ ছিল। প্রতি বছর এর প্রভাব পড়তো ঈদ জামাতে। ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পর ফরীদ উদ্দীন মাসউদকে বাদ দিয়ে মুতাওয়াল্লি নিযুক্ত স্থায়ী ইমাম মুফতি আবুল খায়ের মুহাম্মদ ছাইফুল্লাহকে পুনর্বহাল করেছে শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ পরিচালনা কমিটি। দীর্ঘ ১৭ বছর পর তার এই পুনর্বহাল স্থানীয় মুসল্লিদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। নানা বিধি-নিষেধের গ্যাঁড়াকল পেরিয়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে দ্বিতীয়বারের মতো এবারের পবিত্র ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এসব কারণে এবার মুসল্লির সংখ্যা যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ফলে এবারের ঈদ জামাতকে ঘিরে মুসল্লিবান্ধব নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে মাঠ পরিচালনা কমিটি। ফ্যাসিবাদী জামানায় মোবাইল ফোন নিয়ে ঈদগাহ মাঠে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও এবার তা থাকছে না। তবে নিরাপত্তার দিক বিবেচনায় রেখে ছাতা নিয়ে ঈদগাহ মাঠে কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না।
এরইমধ্যে শেষ হয়েছে সব ধরনের প্রস্তুতি। বরাবরের মতো এবারও দেশের বৃহত্তম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই ঈদগাহ মাঠে। এরই মধ্যে শেষ হয়েছে ঈদগাহ মাঠের লাইন টানা, চুনকাম, অজুখানা মেরামতসহ বেশিরভাগ কাজ। এদিকে ঈদগাহ মাঠ পরিদর্শন করে সার্বিক প্রস্তুতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন প্রশাসনের লোকজন।
এবারো দূর-দূরান্ত থেকে আসা মুসল্লিদের সুবিধার্থে বাংলাদেশ রেলওয়ে এবারো ‘শোলাকিয়া এক্সপ্রেস’ নামে দু’টি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে। ভৈরব বাজার-ময়মনসিংহ ও ময়মনসিংহ-ভৈরব বাজার রুটে বিশেষ ট্রেন দু’টি চলাচল করবে। বিশেষ ট্রেনের একটি ঈদের দিন সকাল ৬টায় ভৈরববাজার থেকে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসবে এবং সকাল ৮টায় কিশোরগঞ্জ পৌঁছাবে। জামাত শেষে ট্রেনটি দুপুর ১২টায় পুনরায় ভৈরববাজারের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে এবং বেলা ২টায় ভৈরববাজার পৌঁছাবে। অপর ট্রেনটি ঈদের দিন সকাল পৌনে ৬টায় ময়মনসিংহ থেকে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসবে এবং সকাল সাড়ে ৮টায় কিশোরগঞ্জ পৌঁছাবে। এ ট্রেনটিও জামাত শেষে দুপুর ১২টায় কিশোরগঞ্জ থেকে ছেড়ে যাবে এবং বেলা ৩টায় ময়মনসিংহ পৌঁছাবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এবার বিগত সময়ের তুলনায় আরও সুচারু ও সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এজন্য দফায় দফায় পুলিশ ও সরকারি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা ও সদস্যরা ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শন করছেন। পুরো মাঠকে সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন নজরদারির জন্য ড্রোন উড়বে শোলাকিয়ার আকাশে। মাঠ ও মাঠের আশপাশ এলাকায় ড্রোনে পর্যবেক্ষণ ছাড়াও ঈদগাহ ময়দানের বাইরে, ভেতরে ও প্রবেশ পথে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। ঈদগাহ ময়দান, আশেপাশের এলাকা এবং অলিগলিসহ মাঠ সংলগ্ন চারপাশের অন্তত দুই কিলোমিটার এলাকা নিয়ে আসা হচ্ছে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার আওতায়। মাঠে স্থাপন করা হয়েছে ছয়টি ওয়াচ টাওয়ার।
এর তিনটিতে পুলিশ বাহিনী ও তিনটিতে র্যাব বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়ে ঈদ জামাতের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা তদারকি করবেন। এরইমধ্যে মাঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে পুলিশ। সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শহর এবং আশপাশের এলাকায় বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি। সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ান, আরআরএফসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দেড় হাজারেরও বেশি সদস্য দিয়ে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হচ্ছে ঈদগাহ ময়দানকে। ঈদগাহ ময়দানের তিনটি প্রবেশপথে স্থাপিত আর্চওয়ে দিয়ে মুসল্লিদের ঢুকতে হবে। এ ছাড়া ব্যবহার করা হবে মেটাল ডিটেক্টর। নিশ্ছিদ্র এই নিরাপত্তাব্যূহ ডিঙিয়ে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তির ঈদগাহ ময়দানে প্রবেশ একেবারেই অসম্ভব বলে মনে করছেন নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টরা।
মুসল্লিদের প্রাকৃতিক কাজ-কর্ম সারার জন্য তৈরি করা হয়েছে একটি স্থায়ী ওয়াশব্লকসহ বেশকিছু অস্থায়ী টয়লেট। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এ ঈদগাহে আসা মুসল্লিদের রাত যাপন ও আপ্যায়নের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য স্থাপন করা হয়েছে অস্থায়ী স্বেচ্ছাসেবী ক্যাম্প। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ফায়ার সার্ভিসসহ একাধিক মেডিক্যাল টিম। সব মিলিয়ে বৃহত্তম ঈদজামাতের জন্য ২৭৬ বছরের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া ঈদগাহ্ ময়দান পুরোপুরি প্রস্তুত বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
সর্বশেষ প্রস্তুতি পরিকল্পনা নিয়ে বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে শোলাকিয়া ঈদগাহ্ ময়দানে স্থানীয় কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলামের উপস্থিতিতে প্রেস ব্রিফিং করেছে জেলা প্রশাসন।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, সুষ্ঠুভাবে ঈদজামাত আদায়ের লক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বিজিবি, র্যাব ও পুলিশ ফোর্সকে আইনগত দিকনির্দেশনা দেয়াসহ ম্যাজিস্ট্রেরিয়াল দায়িত্ব পালনের জন্য ঈদগাহ মাঠের বিভিন্ন পয়েন্ট ও এলাকায় ১২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
গৃহীত প্রস্তুতির বিবেচনায় লাখ লাখ মুসল্লির অংশগ্রহণে এবারো উৎসবমুখর পরিবেশে সুন্দর ও সুচারুভাবে ঈদজামাত অনুষ্ঠানের ব্যাপারে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন ঈদগাহ মাঠ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা। তিনি জানান, শোলাকিয়ায় এবারের ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের জামাত শুরু হবে সকাল ১০টায়। ঈদজামাত পরিচালনা করবেন শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের ইমাম মুফতি আবুল খায়ের মো. ছাইফুল্লাহ। এছাড়া বিকল্প ইমাম হিসেবে থাকবেন হয়বতনগর কামিল মাদ্রাসার প্রভাষক জুবায়ের ইব্নে আব্দুল হাই। উপমহাদেশের বৃহত্তম এই ঈদজামাত আয়োজনের সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। সব মিলিয়ে বৃহত্তম ঈদজামাতের জন্য ২৭৬ বছরের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান পুরোপুরি প্রস্তুত।
পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন বলেন, শোলাকিয়ায় নিরাপত্তার কোন কমতি হবে না। ২০১৬ সালে শোলাকিয়া ঈদগাহের কাছে জঙ্গী হামলার বিষয়টি মাথায় রেখে এবার নতুন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হয়েছে। বিশেষ নিরাপত্তার জন্য বিল্ডিংয়ের ছাদ স্পেশাল রুফটপের ব্যবস্থা থাকবে। মাঠের বাইরে, মাঠের ভেতরে ও প্রবেশ পথে সর্বোচ্চ ও সুচারু নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। উড়ন্ত ড্রোন থেকে নজরদারি ছাড়াও প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। এ ছাড়া নিরাপত্তা জোরদারের জন্য মাঠের ভেতর-বাহিরে পোশাক ও সাদা পোশাকে অন্যান্য বারের থেকেও বেশিসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট থাকবে। সেটি চেকপোস্ট হোক বা পিকেট হোক। আবার কোথাও কোথাও পাঁচ থেকে ছয়টি স্থাপনা পেরিয়ে ময়দানে আসতে হবে। সার্বিক প্রস্তুতির বিবেচনায় নির্বিঘ্নে শোলাকিয়ায় মুসল্লিগণ ঈদুল ফিতরের ১৯৯তম জামাত আদায় করতে পারবেন বলে পুলিশ সুপার আশা প্রকাশ করেন।
এদিকে পুলিশের নিয়মিত সদস্যদের পাশাপাশি পাঁচ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। ঈদগাহ ময়দানকে ঘিরে মোতায়েন করা হবে বিপুলসংখ্যক র্যাব সদস্য। র্যাব-১৪-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নাইমুল হাসান বলেন, মুসল্লিদের নিরাপত্তায় সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নিরাপত্তা জোরদার করতে পোশাকের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও র্যাব সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। নাশকতাকারী, ছিনতাইকারী, চাঁদাবাজ, পকেটমার, টিকিট কালোবাজারি ও মলমপার্টিসহ অন্য অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কন্ট্রোল রুম স্থাপন করবো। ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে আমরা সার্ভিলেন্স করবো।
তিনি আরও বলেন, সন্দেহভাজন ব্যাক্তিদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করবো। ড্রোন এবং বায়নোকুলার থাকবে। ওয়াচ-টাওয়ারে স্বয়ংক্রিয় স্নাইপার রাইফেল থাকবে যেন যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধ করতে পারেন। বেশকিছু প্যাট্রোল কার থাকবে, যেগুলো শহরের বিভিন্ন এলাকায় টহল দেবে। ট্রেনে করে দূর–দূরান্ত থেকে মুসল্লিরা নামাজ আদায় করতে আসেন এখানে, তাই তাদের নিরাপত্তার জন্য ভৈরব ও কিশোরগঞ্জ রেলস্টেশনে র্যাব মোতায়েন থাকবে।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে প্রথমবারের মতো স্যাটেলাইট চ্যানেল এনটিভি দেশের সর্ববৃহৎ এই ঈদ জামাত সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা করে। ২০০৭ সাল থেকে চ্যানেল আই নিয়মিত ঈদ জামাত সরাসরি সমপ্রচার করছে। এ ছাড়া অন্যান্য প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়া গুরুত্বের সঙ্গে এ ঈদ জামাতের নিউজ কাভার করে থাকে।
প্রতি বছরই ঈদুল ফিতরের দিন শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিণত হয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মহামিলন কেন্দ্রে। এবার ভয়মুক্ত নতুন পরিবেশে শোলাকিয়ায় ফিরে আসছে সেই চিরচেনা কোলাহল। লাখো লাখো মানুষের মুখরতা। তাই এবার শোলাকিয়ায় মুসল্লির সংখ্যা অনেক বাড়বে বলে স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করছেন। শত ব্যস্ততা, নানা সমস্যা আর প্রাকৃতিক বৈরিতাকে উপেক্ষা করে শোলাকিয়ায় সমবেত হন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণ। এক কাতারে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেন ছোট-বড়, ধনী-গরিব নির্বিশেষে। সবার উদ্দেশ্য একটাই, যেন কোনো অবস্থাতেই হাতছাড়া হয়ে না যায় সবচেয়ে বড় জামাতে অংশগ্রহণ, আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের সুযোগ।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৭ জুলাই ঈদুল ফিতরের নামাজ চলাকালে শোলাকিয়া ঈদগাহের কাছে পুলিশের একটি নিরাপত্তা চৌকিতে জঙ্গিদের অতর্কিত হামলায় দুই পুলিশ সদস্যসহ নিহত হন চারজন। সেই থেকে ঈদ জামাতে বাড়তি নিরাপত্তার ওপর জোর দেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
জনশ্রুতি আছে, ১৮২৮ সালে শোলাকিয়া ঈদগাহে ১ লাখ ২৫ হাজার বা ‘সোয়ালাখ’ মুসল্লি একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন। সেই থেকে এ মাঠের নাম হয় ‘সোয়ালাখিয়া’- যা এখন শোলাকিয়া নামে পরিচিত। প্রায় ২৫০ বছরের প্রাচীন শোলাকিয়া ঈদগাহে লাখো মুসল্লির সঙ্গে এক কাতারে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়লে বেশি সওয়াব পাওয়া যায়, এমন বিশ্বাসে প্রতি বছর ঈদের জামাতে অংশ নেন, দেশ-বিদেশের লাখো লাখো মুসল্লি। বংশ পরম্পরায় ৭ একর আয়তনের এই ঈদগাহে নামাজ পড়ছেন অনেকে।
পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে দেশ-বিদেশের সকল মুসলিম ভাই-বোনদেরকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিডি টোয়েন্টিফোর লাইভ এর কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মোঃ সাখাওয়াত হোসেন আকাশ।
মাসুম/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);