আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে প্রতিক বরাদ্দের আগেই আচরণবিধি না মেনে প্রচারণার অভিযোগ উঠেছে পঞ্চগড়-১ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ রয়েছে, সারজিস আলম প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকায় ভোট প্রার্থনার কার্যক্রম চালাচ্ছেন। তিনি তার ব্যবহৃত মাইক্রোবাসসহ নেতাকর্মীদের সঙ্গে মিটিং, পথসভা এবং গ্রামে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ফেসবুক পেজসহ ছয়টি ভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে নির্বাচনী ভিডিও ও কনটেন্ট প্রকাশ করে প্রচারণা চালাচ্ছেন।
নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি অনুযায়ী তফসিল ঘোষণার পর পর্যন্ত প্রতিক বরাদ্দের আগে কোনো প্রচারণা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, ১১ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণার পরও সারজিস আলম এই বিধি অমান্য করছেন। বিশেষত আচরণবিধির ৪ ও ২৫ নম্বর বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।
নির্বাচনী মাঠে মানুষের অধিকার এবং ভোটের স্বচ্ছতা রক্ষার দায়িত্বে থাকা রিটার্নিং অফিসার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, নির্বাচন কমিশন, নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের চোখের সামনে এই লঙ্ঘন ঘটছে। স্থানীয় পর্যায়ে প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর নীরবতা ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার জন্য উদ্বেগজনক বার্তা বহন করছে।
নির্বাচনী বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রশাসনের সক্রিয় নজরদারির অভাব এবং আচরণবিধি অমান্য হলে ভোটারদের আস্থা ক্ষুণ্ণ হতে পারে। পঞ্চগড়-১ আসনে চলমান এই অনিয়ম, প্রশাসনিক উদাসীনতা এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচারণার বৃদ্ধি ভোটের প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);