চট্টগ্রাম নগরীর চন্দনপুরা এলাকায় সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ও নগরীর শীর্ষ ব্যবসায়ীর বাড়ি লক্ষ্য করে গুলির ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি )সকালের দিকে স্মার্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমানের বাড়িতে মুখোশধারী কয়েকজন এ হামলা চালায়। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হননি।
জানা গেছে, একাধিকবার সিআইপি নির্বাচিত হওয়া মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তবে ২০২৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালি) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
পুলিশের ধারণা, বিদেশে পলাতক চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খানের অনুসারীরাই এ ঘটনায় জড়িত। ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। হামলাকারীদের শনাক্তে চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।
মুজিবুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, মাস দেড়েক আগে দুবাইভিত্তিক একটি নম্বর থেকে তাকে ফোন করে সাজ্জাদ আলীর পরিচয় দিয়ে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল। বিষয়টি তিনি গুরুত্ব দেননি। দুই দফা ফোন আসার পরও তিনি কাউকে জানাননি। শুক্রবার ভোরে হামলার সময় তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় সূত্র বলছে, বায়েজিদ বোস্তামীর জান আলী নগর চালিতাতলী এলাকার আব্দুল গনি কন্ট্রাক্টরের ছেলে সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদ। ২০০৪ সালে জামিনে বেরিয়ে বিদেশে পালিয়ে যায় শীর্ষ এই সন্ত্রাসী। ইন্টারপোলের রেড নোটিশধারী এই সন্ত্রাসী বিদেশে বসে চট্টগ্রাম নগরের অপরাধজগৎ নিয়ন্ত্রণ করে। বিদেশ থেকে ফোন দিয়ে চাঁদা দাবি করে বড় সাজ্জাদ। চাঁদা দিতে কেউ অস্বীকার করলে গুলি করে কিংবা কারখানা জ্বালিয়ে দেয় দেশে থাকা তার সহযোগীরা।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (দক্ষিণ বিভাগ) উপকমিশনার হোসাইন কবির ভূঁইয়া। তিনি জানান, একটি মাইক্রোবাসে করে প্রায় আটজন মুখোশধারী এসে পিস্তল উঁচিয়ে গুলি ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। চাঁদার দাবিতে ভয় দেখাতেই বাড়ির সামনে ও পেছনে একাধিক রাউন্ড গুলি করা হয়েছে।
এর আগে নগরের পাঁচলাইশ হামজার বাগ এলাকায় মুরাদপুর-অক্সিজেন সড়কের পাশে একটি নির্মাণাধীন ভবনের মালিকের কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে গত ১৪ ডিসেম্বর একটি ভবনে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় ভবনটির তত্ত্বাবধায়ক নূর মোহাম্মদ বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অস্ত্র–গুলিসহ মো. দিদার নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনায়ও সাজ্জাদের লোকজন জড়িত বলে ধারণা পুলিশের।
পুলিশ জানায়, চাঁদা না পেলেই গুলি করেন সাজ্জাদের অনুসারীরা। নগরের চান্দগাঁও, বায়েজিদ বোস্তামী ও পাঁচলাইশ এবং জেলার হাটহাজারী, রাউজানসহ পাঁচ থানার ৫ লাখের বেশি মানুষকে সাজ্জাদের বাহিনীর কারণে আতঙ্কে থাকতে হয়।
গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে জেলায় ১০টি খুনে সাজ্জাদের অনুসারীদের নাম উঠে এসেছে। এর মধ্যে একটি রয়েছে জোড়া খুন। তারা আধিপত্য বজায় রাখতে নিজেদের প্রতিপক্ষকেও খুন করছে। আবার কখনো ভাড়াটে খুনি হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।
সালাউদ্দিন/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);