গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের সরকারি চিকিৎসাসামগ্রী বাইরে পাচারের অভিযোগে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হাসপাতাল থেকে বের করে নেওয়ার সময় তিন কার্টন ইনজেকশন সিরিঞ্জসহ এক নারীকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় হাসপাতালের অভ্যন্তরে সরকারি মালামাল ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
বিডি২৪লাইভ’কে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আসিফ উর রহমান জানান, ঘটনাটি কার মাধ্যমে ঘটিয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হবে। এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় শহরের হাসপাতাল রোড এলাকায় ফায়ার সার্ভিস কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রওশনা বেগম নামে এক নারী সন্দেহজনকভাবে একটি বস্তা বহন করে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তার চলাফেরা দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে বস্তা তল্লাশি করে তিন কার্টন ইনজেকশন সিরিঞ্জ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি মুহূর্তেই এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় জমে।
স্থানীয়দের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ওই নারী জানান, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ইনচার্জ ঝরনা বেগম তাকে এসব সিরিঞ্জ দিয়েছেন।
আটক রওশনা বেগম বিডি২৪লাইভ’কে বলেন, “আমি কাজ করে দিয়ে নিয়েছি। যে দিয়েছে, তাকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করেন।”
অভিযোগের বিষয়ে ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ইনচার্জ ঝরনা বেগম বিডি২৪লাইভ’কে বলেন, “বহিরাগতদের দিয়ে কিছু কাজ করানো হয়েছিল। কাজের বিনিময়ে আমি তাকে সিরিঞ্জ দিয়েছি। তবে এ কাজ আমার করা ঠিক হয়নি।”
তার এমন বক্তব্যের পর সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসাসামগ্রী কীভাবে ব্যক্তিগতভাবে দেওয়া হলো, তা নিয়ে দেখা দিয়েছে তীব্র বিতর্ক।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি চিকিৎসাসামগ্রী যদি এভাবে হাসপাতালের বাইরে চলে যায়, তাহলে স্বাস্থ্যসেবার ওপর মানুষের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আসিফ উর রহমান বলেন, “ইনজেকশন সিরিঞ্জ বাইরে নেওয়ার ঘটনা সত্য। তবে কার মাধ্যমে এবং কীভাবে এগুলো ওই নারীর কাছে গেল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। হাসপাতালের যে-ই জড়িত থাকুক না কেন, তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তিনি বিডি২৪লাইভ’কে আরও বলেন, “সরকারি চিকিৎসাসামগ্রী ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”
ঘটনাটি নিয়ে হাসপাতালজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সরকারি চিকিৎসাসামগ্রী কীভাবে হাসপাতালের বাইরে গেল, এর পেছনে আর কেউ জড়িত আছে কি না- সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে সংশ্লিষ্টরা।
রোহান/সা.এ.
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);