যথাযোগ্য মর্যাদায় ধর্মীয় আবেগ ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে কিশোরগঞ্জে পবিত্র শবে বরাত পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে শবে বরাত উপলক্ষ্যে মসজিদে মসজিদে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ ও ঐতিহাসিক শহীদী মসজিদে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ কবরস্থানগুলোয় ছিল মুসল্লিদের ভিড়।
নামাজ শেষে মানুষ আত্মীয়স্বজনের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে দোয়া দরুদ পাঠ ও তাদের জান্নাত নসিব করার জন্য আল্লাহর দরবারে মোনাজাত করেন। এছাড়াও জেলার সকল উপজেলার সবগুলো মসজিদে মুসল্লিতে ভরপুর ছিল৷
হিজরী বর্ষের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটি বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ পবিত্র শবে বরাত বা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে পালন করেন। মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য এ রাত ‘লাইলাতুল বরাত’ হিসেবে পরিচিত।
মহান আল্লাহ তায়ালার রহমত লাভের আশায় ধর্মপ্রাণ মুসলমান নর-নারীরা যার যার ঘরেও রাতভর মগ্ন ছিলেন ইবাদত বন্দেগিতে। অনেকে নফল রোজা রেখেছেন। সারা বিশ্বের মুসলমানদের কাছে সওয়াব হাসিল আর গুনাহ থেকে পানাহ চাওয়ার রাত হিসেবে শবে বরাতের মর্যাদা অতুলনীয়। তাই নফল ইবাদত, কোরআন তেলাওয়াত, ইবাদত বন্দেগি, জিকির-আসকার, করব জিয়ারত আর বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফজিলতের এই রাত পালন করেছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।
বিশেষ মোনাজাতে মসজিদে মসজিদে মুসল্লিদের মাঝে কান্নার রোল পড়ে যায়। দেশের সুখ সমৃদ্ধি উন্নতি ও মুসলিম উম্মার কল্যাণ কামনা করে মসজিদগুলোতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মুসল্লিরা মোনাজাতে অংশ নেন।
শবে বরাত উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদে হাজারো মুসুল্লিদের উপস্থিতিতে নামাজ, রোজা ও শবে বরাতের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনা করেন ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের খতিব মাওলানা আশরাফ আলী। মসজিদের বাইরেও বিভিন্নস্থানে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আয়োজন ছিল আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের। এশার নামাজের পর মুসল্লিরা মসজিদে মসজিদে রাতভর নফল নামাজ ও আল্লাহর দরবারে গুনাহ মাফ চেয়ে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেছেন।
স্থানীয় মুসল্লিরা জানান, শবে বরাতের এই রাতটি মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে অত্যন্ত বরকতময়। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রাতে মহান আল্লাহ তাআলা বান্দার ভাগ্য নির্ধারণ করেন এবং তাদের দোয়া কবুল করেন।
বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও ধর্মীয় বক্তারা উপস্থিত মুসল্লিদের প্রতি ইসলামের মহান আদর্শ অনুসরণ এবং ভ্রাতৃত্ব ও সহমর্মিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, হিজরি শাবান মাসের ১৪ ও ১৫ তারিখের মধ্যবর্তী রাতটি মুসলিম উম্মাহর কাছে শবে বরাত বা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে পরিচিত। এই রাতটি লাইলাতুল বরাত নামেও সমধিক পরিচিত। পবিত্র শবে বরাত মুসলমানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা, আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাত হিসেবে বিবেচিত। এ রাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করা হবে।
সালাউদ্দিন/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);