সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির তৃতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ দেড় লাখ কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ দেড় লাখ কোটি টাকা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ ন্যায়বিচারেই শান্তির সংস্কৃতি: আইরিন খান বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব ৮ জানুয়ারি দুষ্টের দমনে কঠোর, শিষ্টের পালনে মানবিক হতে হবে: রাষ্ট্রপতি উল্টোপথে গাড়ি চালানোয় মন্ত্রীর গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দিচ্ছে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক হামে আরও ৩ মৃত্যু, নতুন রোগী ১,৪৪৪ বেনজীরের অবস্থান জানতে ইন্টারপোলকে পুলিশের চিঠি হরমুজে বাংলাদেশের জাহাজে বাধা নেই: ইরান পুলিশের ৬ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বদলি ভোটার স্থানান্তরের আবেদন ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেপুটি স্পীকারের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে দেশে বর্তমান জ্বালানি সংকট উত্তরণে ‘পাঁচ দফা কর্ম পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার

আসল কাজ না করে ধান্দা ছিল ‘মাদার অব হিউমেনিটি’ সেল করার

সীমু দা
শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৩৪ পূর্বাহ্ন

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, আমরা মনে করি, এটা (রোহিঙ্গা সংকট) যদি অনেক আগে থেকে প্রচেষ্টা চালানো হতো, তাহলে আসলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। কিন্তু তখন যেটা হয়েছে যে উনি (সাবেক প্রধানমন্ত্রী) ‘মাদার অব হিউম্যানটি’ সেল করতে চেয়েছিলেন। পতিত স্বৈরাচারের ধান্দা ছিল সেটা। ফলে যেটা হয়েছে ফোকাস চলে গেছে। এ কারণে ইউক্রেন যুদ্ধ, সুদানের গৃহযুদ্ধ, গাজায় গণহত্যার দিকে বৈশ্বিক মনোযোগ চলে গেছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুল আলম বলেন, রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে ১৯৭৮, ১৯৯১, ২০০৬ সালে এসেছে। সবচেয়ে বড় ঢল এসেছিল রোহিঙ্গাদের ২০১৭ সালের আগস্ট সেপ্টেম্বরে। তখন ৭ লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গা এসেছিল। এরপর ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় দেড় লাখ রোহিঙ্গা এ দেশে প্রবেশ করে, এটা ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার আগ পর্যন্ত এই সংকট আসলে ভুলে যাওয়া হয়েছিল। এই সংকট নিয়ে কেউ কোনও কথা সেভাবে বলেনি।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের একটা বড় সাফল্য হলো এই সংকটকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিয়ে আসা। এ জন্য প্রফেসর ইউনূসের অনুরোধে এ বছর ৩০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে প্রথমবারের মতো একটা আন্তর্জাতিক কনফারেন্স হয়েছে রোহিঙ্গা নিয়ে। সেখানে রোহিঙ্গাদের চার জন নেতা কথা বলেছেন, শীর্ষ দেশগুলোর প্রতিনিধিরা এখানে কথা বলেছেন। সেই কনফারেন্সে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য ৯৬ মিলিয়ন ডলার সাহাজ্যের কথাও বলেছে। এটা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা মাইলস্টোন। জাতিসংঘের মহাসচিব বাংলাদেশে সফর করেছেন এবং তিনি রোহিঙ্গাদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে রোজা রেখেছেন। তিনি আসার ফলে আবারও এই সংকট নিয়ে আন্তর্জাতিক আলোচনায় এসেছে।

প্রেস সচিব বলেন, আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে এই ভুলে যাওয়া সংকটকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিয়ে আসার, আমি বলবো, সেই কাজে আমরা সফল হয়েছি। রোহিঙ্গাদের নিয়ে কক্সবাজারে একটি কনফারেন্স হয়েছে, কাতারের রাজধানী দোহাতে কনফারেন্স হয়েছে। আমাদের প্রচেষ্টা সবসময় আছে। এই সরকার প্রথম থেকে এসে এ বিষয়ে সিরিয়াস ছিল। প্রফেসর ইউনূস প্রথমে এসেই হাই রেপ্রেজেন্টেটিভের একটা অফিস করলেন। আমরা মনে করি, এই সরকার যে প্রচেষ্টা নিয়েছে তার কারণে এখন পুরো পৃথিবী এই সংকট প্রসঙ্গে জানে। এটার ফলাফল হয়তো এখন পাচ্ছি না, সামনের দিনগুলোতে অবশ্যই পাবো।  


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Theme Created By