শেরপুর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী আল মুহতাছিম সাইব (১৭) হত্যা মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্থানীয় জনগণ।
শুক্রবার (১২ জুন) বাদ জুম্মা শ্রীবরদী-শেরপুর সড়ক অবরোধ করে এ বিক্ষোভ করেন। প্রায় ২ ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভ শেষে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা তিনজন আসামি গ্রেফতার করা হয়েছে ও বাকিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন।
এর আগে, সোমবার (৮ জুন) দুপুরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত সাইব শেরপুর পৌর এলাকার দমদমা কালিগঞ্জ মহল্লার বাসিন্দা। সাইবের বাবা আব্দুল মালেক শ্রীবরদীতে একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন এবং নিহত সাইব শেরপুর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কম্পিউটার টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২৯ মে বিকেল ৪টার দিকে শেরপুরের তাতালপুর বিএম রোড এলাকায় গাছের ছায়ার নীচে দাঁড়িয়ে ছিলেন সাইব। এ সময় নাঈম মিয়া (১৯), পাপ্পু (২০) স্বপন (২১) ও আরমান (২০) একই স্থানে দাঁড়িয়ে ছবি তুলবে বলে সাইবকে সরে যেতে বলে। সাইব সরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে কথা-কাটাকাটি এবং একপর্যায়ে তাকে মারধর করে। এরইমধ্যে মোবাইল ফোনে আরও ১০-১৫ জনকে ডেকে এনে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সাইফকে মারধর ও রাস্তার পাশে জমে থাকা ফসলি জমির পানিতে চুবিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। এ সময় সাইফ চিৎকার করলে লোকজন ছুটে আসে। তখন হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে সাইবকে প্রথমে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতাল ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কয়েকদিন লাইফসাপোর্টে থাকার পর সোমবার দুপুরে মারা যায়।
এদিকে, মারধরের ঘটনায় ৬ জুন ১৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা করেন সাইফের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা মা রেবেকা সুলতানা।
শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা বলেন, শিক্ষার্থী সাইফ হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। গত রাতে অভিযান চালিয়ে শুক্রবার ভোরে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আশা করি, দ্রুত সময়ের মধ্যেই এই মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হব। এতে এলাকাবাসীর সহযোগিতা চাই।
এ বিষয়ে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভুইয়া বলেন, শিক্ষার্থী সাইফ হত্যা মামলায় কয়েকজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এবং বাকিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশের কয়েকটি টিম কাজ করছে।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);