ইউক্রেন-এর বিভিন্ন শহরে রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ভোররাতজুড়ে রাশিয়া ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ, বন্দরনগরী ওডেসা এবং ডনিপ্রো-তে একযোগে হামলা চালায়।
ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়া ৬৫৯টি ড্রোন ও ৪৪টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এর মধ্যে ৬৩৬টি ড্রোন ও ৩১টি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে।
ওডেসায় হামলায় অন্তত ৯ জন নিহত এবং ২৩ জন আহত হয়েছেন। রাজধানী কিয়েভে নিহত হয়েছেন অন্তত ৪ জন, যাদের মধ্যে ১২ বছর বয়সী একটি শিশুও রয়েছে। এছাড়া ৪৮ জন আহত হওয়ার খবর জানিয়েছেন শহরের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো।
ডনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে পৃথক হামলায় নিহত হয়েছেন আরও ৩ জন এবং আহত হয়েছেন ৩৪ জন।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, তাদের হামলার লক্ষ্য ছিল ইউক্রেনের ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্র এবং জ্বালানি অবকাঠামো, যা দেশটির সামরিক বাহিনীকে সহায়তা করে।
অন্যদিকে মস্কো দাবি করেছে, ইউক্রেনের পাল্টা হামলার জবাব হিসেবেই এই আক্রমণ চালানো হয়েছে। রাশিয়ার কৃষ্ণসাগরীয় বন্দর তুয়াপসে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় দুই শিশু নিহত হয়েছে বলেও জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
এদিকে সাম্প্রতিক এই হামলা ঘটে একটি ৩২ ঘণ্টার অর্থোডক্স ইস্টার যুদ্ধবিরতির পর, যা উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি লঙ্ঘনের অভিযোগে কার্যত ভেঙে পড়ে।
ইউক্রেনের বিভিন্ন এলাকায় হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কিয়েভের পডিলস্কি, অবোলনস্কি ও দেশনিয়ানস্কি জেলায় ভবন, গাড়ি ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বহু স্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাও ঘটেছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বাসিন্দাদের।
ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রধান আন্তোনিও কস্তা এই হামলাকে ‘বেসামরিক জনগণের ওপর ইচ্ছাকৃত সন্ত্রাস’ আখ্যা দিয়ে নিন্দা জানিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান যুদ্ধে ইউক্রেনের অন্যতম বড় সমস্যা হচ্ছে পর্যাপ্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অভাব। একই সময়ে যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টাও স্থবির হয়ে আছে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ এখনো অব্যাহত রয়েছে, এবং ভূখণ্ড নিয়ে মতবিরোধের কারণে শান্তি আলোচনা বারবার ভেস্তে যাচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা।
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);