ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া দাবি করেছেন, ইসরায়েলের প্রধান বিমানবন্দর বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর-এ উন্নতমানের আরাশ-২ ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়েছে।
তিনি জানান, এই হামলায় ব্যবহৃত অধিকাংশ ড্রোন ছিল আরাশ-২, যার পাল্লা প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার এবং এটি আগের আরাশ-১ ও কিয়ান ড্রোনের তুলনায় বেশি উন্নত ও ধ্বংসাত্মক।
মুখপাত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, আরাশ-২ ড্রোনের রাডার ক্রস-সেকশন খুবই ছোট হওয়ায় এটি সহজেই শত্রুপক্ষের রাডার ফাঁকি দিতে পারে। পাশাপাশি দীর্ঘ সময় আকাশে থাকার সক্ষমতা এবং তুলনামূলক কম খরচের কারণে এটি অত্যন্ত কার্যকর একটি অস্ত্র হিসেবে বিবেচিত।
তিনি আরও বলেন, এই ড্রোন দ্রুত উৎপাদনযোগ্য এবং স্বল্প সময়ের মধ্যেই প্রস্তুত ও উৎক্ষেপণ করা যায়। প্রয়োজন হলে অল্প সময়েই বিপুল সংখ্যক আরাশ-২ ড্রোন মোতায়েন করা সম্ভব।
ইরানি সেনা মুখপাত্রের দাবি, বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর ইসরায়েলের একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, যা সামরিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান, সামরিক অপারেশনের প্রস্তুতি এবং বিমান রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইসরায়েলের প্রায় ৯০ শতাংশ বাণিজ্য আকাশপথের ওপর নির্ভরশীল এবং এই বিমানবন্দর দেশটির অর্থনীতির একটি প্রধান কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সেয়েদ আলী খামেনেই হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে। এর জবাবে ইরানও পাল্টা হামলা হিসেবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে বিভিন্ন মার্কিন ও ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানছে।
সূত্র: Tasnim News Agency
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);