গ্যাসক্ষেত্রে হামলার জবাব দিয়েছে ইরান। কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্বালানি স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে দেশটি। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এদিকে ইরানের এই হামলার নিন্দা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো।
বুধবার (১৮ মার্চ) ইরানের বুশেহর অঞ্চলে আসালুয়েহ বন্দরের উপকূলে সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে ও উত্তরাঞ্চলের বন্দর আনজালি এলাকায় নৌবাহিনীর ওপর হামলা চালায় ইসরাইল।
ইরানের সাউথ পার্স বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র। যেখানে ইরান ও কাতার উভয় দেশের গ্যাস উত্তোলন-বিষয়ক স্থাপনা রয়েছে। এতে তেহরান তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়।
পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে উপসাগরীয় দেশগুলোর গ্যাসক্ষেত্র লক্ষ্যবস্তু করার হুঁশিয়ারি দেয়। কাতারও এই হামলার নিন্দা জানায়। দেশটি এক বিবৃতিতে বলে, জ্বালানি অবকাঠামোতে আঘাত করা পুরো অঞ্চলের জন্য বড় হুমকি।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) সৌদি আরব, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পাঁচটি তেল স্থাপনার কাছের এলাকায় থাকা মানুষদের সতর্ক করে বলেছেন যে, তারা যেন দ্রুত সেই এলাকা ত্যাগ করে নিরাপদ স্থানে চলে যান।
আল জাজিরার প্রতিবেদন মতে, সতর্কবার্তার পর রাতেই কাতার, সৌদি ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালানো হয়। হামলায় কাতারের রাস লাফফান গ্যাসক্ষেত্র, আবুধাবিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের হাবশান গ্যাসক্ষেত্র ও বাব তেলক্ষেত্র এবং সৌদি আরবের দুটি তেল শোধনাগার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
প্রতিবেদন মতে, কাতার জানিয়েছে, ইরানের হামলার পর তাদের রাস লাফফান গ্যাসক্ষেত্রে আগুন ধরে যায়। এতে বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। একে হামলার পর সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের হাবশান গ্যাসক্ষেত্র বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসনের জবাবে ইরানের পাল্টা আক্রমণের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর। তেহরান মূলত মার্কিন স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করলেও জ্বালানি স্থাপনাতেও হামলা চালাচ্ছে, যা তেলসমৃদ্ধ আরব দেশগুলোর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।
এই হামলার সময় সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বিভিন্ন আরব ও ইসলামিক দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠক করছিলেন, যেখানে যুদ্ধের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। কাতারের উত্তর উপকূলে রাস লাফান শিল্প এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হলে কাতারএনার্জি জানায় যে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে জরুরি দল দ্রুত কাজ শুরু করে।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ঘটনাকে ‘নৃশংস ইরানি হামলা’ বলে নিন্দা জানায় এবং বলে, এটি তাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি। পরে তারা জানায়, কাতারে থাকা ইরানের সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের এবং তাদের স্টাফদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সুত্র: আল জাজিরার।
মাসুম/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);