প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এবারের জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট সফলভাবে করতেই হবে এবং কোনো অবস্থাতেই ১২ ফেব্রুয়ারির বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “যে যাই বলুক না কেন, ১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে। এবারের নির্বাচন কোনো গোজামিলের নির্বাচন হবে না। সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব সরকার, নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দল—সবার।”
রোববার রাতে যমুনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। এ সময় তিনি নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা কামনা করেন।
বৈঠকে জামায়াত নেতারা জানান, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে তারা পূর্ণোদ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন। পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা ইতোমধ্যে শুরু করেছে এবং ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচন ও গণভোট—দুই ক্যাম্পেইন একসঙ্গে চলবে।
নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে জামায়াত নেতারা প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, “যেভাবেই হোক আমাদের ভালো নির্বাচন করতে হবে। নির্বাচন নিয়ে যেকোনো জরুরি তথ্য, অভিযোগ বা মতামত জানাবেন। আমরা তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচন কমিশনের নজরে আনব এবং প্রয়োজন হলে সরকার ব্যবস্থা নেবে।”
নির্বাচনের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে ড. ইউনূস জানান, অধিকাংশ ভোটকেন্দ্র দ্রুত সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। জানুয়ারির মধ্যেই এসব ক্যামেরা স্থাপন শেষ হবে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বডি ক্যামেরা থাকবে এবং কন্ট্রোল রুম থেকে সবকিছু মনিটর করা হবে। প্রয়োজনে ফুটেজ সংরক্ষণ করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের প্রচারণা আইনসম্মত কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে এতে কোনো আইনগত বাধা নেই। গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বই সংস্কারের পক্ষে থাকা।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনের সময় স্থানীয় পর্যায়ে উদ্ভূত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও অংশীজনদের নিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি অভিযোগ গ্রহণের জন্য একটি হটলাইন নম্বর চালু থাকবে। জয়-পরাজয় যাই হোক, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে নির্বাচন সফল ও দেশের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
বৈঠকে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টারাও বৈঠকে অংশ নেন।
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);