‘থার্টি ফার্স্ট নাইট’ ও নতুন বছরের আগমন উদযাপনকালে ভয়াবহ এক বিস্ফোরণ ঘটেছে সুইজারল্যান্ডের একটি মদের বারে। এ ঘটনায় আগুনে পুড়ে অন্তত ৪০ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সেইসঙ্গে আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দিবাগত মধ্যরাতে ক্রানস মোন্টানার মদের বারে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে আগুন লেগে যায়।
সুইজারল্যান্ডের পুলিশ আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) জানিয়েছে, লে কন্সটেলেশন নামে ওই বারে নতুন বছর বরণের উৎসব চলছিল। আগুনের সূত্রপাত হয় রাত ১টা ৩০ মিনিটের দিকে। যেখানে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে সেটি পর্যটকদের কাছে খুবই জনপ্রিয় একটি স্থান। এখনো নির্দিষ্ট করে জানা যায়নি, ঠিক কতজন এ বিস্ফোরণ ও আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
তবে, সুইস সংবাদমাধ্যম ডেইলি ব্লিক এক চিকিৎসকের বরাতে জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা কয়েক ডজন হতে পারে। আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি লে নোভেলিসতে অবশ্য ৪০ জন নিহতের কথা জানিয়েছে। একটি সূত্র সংবাদমাধ্যমকে বলেছে, হতাহতের সংখ্যা অনেক বেশি। প্রায় ৪০ জন নিহত ও ১০০ জন আহত হয়েছেন।
দুর্ঘটনার পর পর সেখানে ছুটে যান পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। এছাড়া সেখানে হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়। ক্ষতিগ্রস্তদের আত্মীয় স্বজনদের জন্য খোলা হয় বুথ। যেন তারা তাদের প্রিয়জনদের খবর নিতে পারেন।
কীভাবে এবং কিসে বিস্ফোরণ ঘটল এবং আগুন লাগল সেটি এখনো জানা যায়নি। এ ঘটনার পর পর ক্রানস মোন্টানায় নো ফ্লাই জোন ঘোষণা করা হয়েছে।
সুইস সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় মদের দোকানে কনসার্ট চলছিল। সেখানে আতশবাজি সদৃশ পায়রোটেকনিকস ব্যবহার করা হয়েছে। সেখান থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। কিন্তু পুলিশ জানিয়েছে, এখনো বিষয়টি নিশ্চিত নয়।
সুত্র: এনডিটিভি।
মাসুম/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);