প্রতিবছর থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন উপলক্ষ্যে পটকা ও আতশবাজি ফোটানোর ওপর পুলিশের নিষেধাজ্ঞা থাকে। তবে এবার পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বুধবার থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষ্যে শোককালীন ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে ডিএমপি।
তবে সব নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এবারও বরাবরের মতো নতুন বছর উদযাপনে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো হয়েছে।
পটকা ও আতশবাজি ফোটানোর কারণে শিশু, বৃদ্ধ ও পশুপাখির ক্ষতির দিকটি তোয়াক্কা না করার নিন্দা জানিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ ও মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেছেন, গভীর রাতে আতশবাজির বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে সন্ত্রস্ত হবে শিশুরা, ছটফট করবে হার্টের রোগী ও পাখিরা—এ কেমন সভ্য সমাজ? এই অনাচারের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ আওয়াজ তুলতে হবে।
অল্প কিছু অমানুষের কাছে গোটা দেশ জিম্মি হয়ে থাকতে পারে না। থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপনের নামে এই উশৃঙ্খলা আইন করে নিষিদ্ধ করা হোক। এই অনাচার ও উশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে পাড়ায় মহল্লায় উদ্যোগ নেওয়া হোক।
থার্টি ফার্স্ট নাইটে আতশবাজি আর ফানুস নামের ‘আগুন নিয়ে খেলা’ আর কবে বন্ধ হবে?এই রাতে বিবেকসম্পন্ন মানুষের পাশবিক উন্মাদনায় পাখিরা যদি আতঙ্কে ডানা ঝাপটায়, রাস্তার কুকুর যদি দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করে ভয়ে, গরিবের মাথাগোঁজার আশ্রয় যদি ছাই হয় ফানুসের আগুনে, পটকার বিকট শব্দ যদি খালি করে মায়ের কোল, তবে মানুষ তোমার শ্রেষ্ঠত্ব রইল কোথায়!
এদিকে জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী বলেছেন, যে বিকট শব্দ আর আগুনের ঝলকানি তোমাকে আজ উল্লাসে মাতাচ্ছে, এর চেয়েও বিকট আওয়াজ আর ভয়ংকর তীব্র আগুন তোমাকে দিশেহারা করার অপেক্ষায়। তবুও তুমি বুঝবে না?
তিনি আরও বলেন, পটকা আর ফানুসের এই উন্মাদনা শুধু আমাদের পরিবেশ ধ্বংস করছে না, ধীরে ধীরে আমাদের মানবিক সংবেদনশীলতাও নিঃশেষ করে দিচ্ছে। কয়েক টাকার ছোট্ট ফানুস হয়ে যাচ্ছে লাখ টাকার ক্ষয়-ক্ষতির কারণ। কখনো অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ঘটে যাচ্ছে অগ্নিকাণ্ডের মতো ঘটনা।
তিনি বলেন, এক রাতের সাময়িক উন্মাদনায় পটকা-বাজির বিকট শব্দ ঘনবসতিপূর্ণ এ শহরে কত-শত শিশুর আতঙ্ক, কত মায়ের বুক কাঁপানো দুশ্চিন্তা, আমরা কখনো ভেবে দেখেছি কি? উমায়েরের মতো শিশুদের কান্না, শত শত অসহায় অবলা প্রাণীর প্রাণ ভয়ে ছোটাছুটি আর পাখিদের নীরব মৃত্যু! উদযাপনের নামে এই উন্মাদনা কি সত্যিই মানবিকতার চেয়ে বড়?
সালাউদ্দিন/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);